Friday, December 5, 2014

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী অরিজিৎ সিং এখন ঢাকায়

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী অরিজিৎ সিং এখন ঢাকায়


ঢাকায় এলেন ভারতের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী অরিজিৎ সিং। এরই মধ্যে নিজের ফেসবুক পেজে ঢাকা আসার বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন এ শিল্পী। কনসার্টে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকার দর্শকদের।
আজ দুপুরে একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন তিনি। কাল শুক্রবার রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে আয়োজিত ‘অলিটালিয়া অরিজিৎ সিং লাইভ’ শিরোনামের একটি কনসার্টে গান গাইবেন সময়ের আলোচিত এ শিল্পী। কনসার্টের আয়োজন করেছে ইমেকার্স।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইমেকার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাঈম আশরাফ জানান, অরিজিত সিং মঞ্চে ওঠার আগে বাংলাদেশি শিল্পীদের কিছু পরিবেশনা আছে। এর মধ্যে মডেল আনিকা কবির শখ, অভিনয়শিল্পী নিরব ও মেহজাবিন নাচ করবেন। আর গান করবে ব্যান্ডদল শিরোনামহীন, গায়ক ইমরান, নির্ঝর, কর্নিয়া ও রেশমি।
আয়োজকরা ধারণা করছেন, ১০ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে এ বছরের সবচেয়ে সফল কনসার্ট হবে এটি। কনসার্টটি উপভোগ করতে আগ্রহীদের অনলাইনে টিকিট বরাদ্দ নিতে হবে। আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানটি কখনো টিভিতে প্রচার হবে না।
কনসার্টে দুই-আড়াই ঘণ্টা গান গেয়ে শোনাবেন অরিজিৎ সিং। তার পরিবেশনায় থাকবে ‘তুম হি হো’ (আশিকি ২), ‘মুসকুরানে’ (সিটি লাইটস), ‘কাভি জো বাদল বারসে’ (জ্যাকপট), ‘হামদর্দ’ (এক ভিলেন), ‘সামঝাওয়া’ (হ্যাম্পটি শর্মা কি দুলহানিয়া), ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ও ‘নারে না’ (বোঝে না সে বোঝে না), ‘কী করে তোকে বলব’ (রংবাজ), ‘সারাটা দিন’ এবং ‘আমি তোমার কাছে’ (যোদ্ধা) শীর্ষক গানগুলো।
এরই মধ্যে কনসার্টটির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আয়োজকেরা। আয়োজকেরা জানান, কনসার্টটি বিকেল থেকে শুরু হয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে। কনসার্ট শেষ করে পরের দিন মুম্বাই ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে অরিজিৎ সিংয়ের।

হঠাৎ মৌসুমী

হঠাৎ মৌসুমী


রাত ১১টা। ট্রেন এসে দাঁড়াল কমলাপুর রেলস্টেশনের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে। ট্রেন থেকে নেমে এলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী স্বয়ং। অসংখ্য মানুষের ভিড় ঠেলে এগোতে লাগলেন তিনি। ঠিক ওই সময় পরিচালক বলে উঠলেন ‘কাট’। থেমে গেলেন তিনি। এমন একটি দৃশ্য ধারণ দিয়ে শুরু হলো নতুন ছবি রাত্রির যাত্রীর শুটিং। ১ ডিসেম্বর রাতে এর দৃশ্য ধারণ শুরু হয়। এক রাতের গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। পরিচালনা করেছেন হাবিবুল ইসলাম। মৌসুমী ছাড়াও অভিনয় করেছেন এ টি এম শামসুজ্জামান, আনিসুর রহমান মিলন, সালাহউদ্দিন লাভলু, অরুণা বিশ্বাস, মারজুক রাসেল, সোনিয়া হোসেন, সুজাত শিমুলসহ অনেকে।

সেরা যৌন আবেদনময়ী প্রিয়াঙ্কা!

সেরা যৌন আবেদনময়ী প্রিয়াঙ্কা!



কয়েকদিন ধরেই নানা কারণে খবরে শিরোনাম হচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। মুম্বাইয়ে তার বাড়ি ভাড়া নিয়ে স্পা-র আড়ালে যৌন ব্যবসায় চালাচ্ছেন এক ব্যবসায়ী। এটা নিয়ে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। তবে এরই মধ্যে আজ একটি ভালো খবরই পেলেন সাবেক এই বিশ্ব সুন্দরী!
হিন্দুস্থান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, এ বছর এশিয়ার সেরা যৌন আবেদনময়ী নারী হয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। এর আগে ২০১২ সালেও এই মুকুট পেয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। ২০১৩ সালে তাঁর কাছ থেকে এ শিরোপা কেড়ে নেন অপর বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ।
সম্প্রতি, যুক্তরাজ্যের সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘ইস্টার্ন আই’ এশিয়ার সেরা লাস্যময়ীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ওই তালিকায় সবার ওপরে আছেন ৩২-বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।
মুকুট ফিরে পেয়ে উজ্জীবিত প্রিয়াঙ্কা গণমাধ্যমকে জানান, ‘আবার এই সম্মান পেয়ে ভীষণ ভালো লাগছে। জনমতের ভিত্তিতে এই নির্বাচন হওয়ায় এটা আরও বেশি তৃপ্তিদায়ক। সবাইকে অনেক অনেক ভালবাসা।’
দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেরা যৌন আবেদনময়ী হয়েছেন ভারতের ছোট পর্দার দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী দ্রাষ্টি ধামী এবং সানায়া ইরানি। ধুম থ্রি তারকা ক্যাটরিনা কাইফ এবার হয়েছেন চতুর্থ। সম্প্রতি ‘ছোট পোশাক’ পরায় এক দর্শকের চড় খাওয়া রিয়েলিটি শো তারকা গৌহর খান আছেন পাঁচে।

প্রিয়াঙ্কা-ক্যাটরিনা ছাড়া আর যে সকল বলিউড অভিনেত্রী এ তালিকায় আছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দীপিকা পাড়ুকোন (৬), কারিনা কাপুর (৮), সোনম কাপুর (৯), শ্রদ্ধা কাপুর (১৭), আলিয়া ভাট (২৪), অনুষ্কা শর্মা (৪৭) প্রমুখ।

প্রিয়াংকার বাড়ি ভাড়া করে যৌন ব্যবসা!

নতুন বিপাকে সালমান!

নতুন বিপাকে সালমান!


ভালোই বিপাকে পড়েছেন সালমান খান। গাড়িচাপা দিয়ে মানুষ হত্যার মামলাটা বেশ ভোগাচ্ছে তাঁকে। মাস ছয়েক আগে এ মামলার দুই সাক্ষী জানিয়েছিলেন, মুম্বাইতে ২০০২ সালে দুর্ঘটনার সময় সালমান মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এবার একজন ল্যাব টেকনিশিয়ান জানালেন, দুর্ঘটনার পর সালমানের রক্তে ৬২ মিলিগ্রাম অ্যালকোহলের অস্তিত্ব ধরা পড়ে, যেখানে অনুমতিযোগ্য মাত্রা ৩০ মিলিগ্রাম। 
গতকাল বুধবার ওই ল্যাব টেকনিশিয়ান মুম্বাই সেশন কোর্টকে জানান, দুর্ঘটনার পর অ্যালকোহল পরীক্ষায় উতরাতে পারেননি সালমান। তাঁর রক্তে অনুমতিযোগ্য অ্যালকোহলের মাত্রার দ্বিগুণ পরিমাণ অ্যালকোহলের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়ান ইন্ডিয়া।
সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মদ খেয়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাত তিনটার দিকে বান্দ্রার আমেরিকান এক্সপ্রেস বেকারির সামনে ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা পাঁচজন হতদরিদ্র মানুষকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যান সালমান। তাঁর টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ির চাপায় একজন নিহত ও চারজন আহত হন। অবশ্য সালমানের পক্ষ থেকে বরাবরই দাবি করা হয়েছে, দুর্ঘটনার সময় তিনি চালকের আসনে ছিলেন না। 
মামলার সাক্ষী বলিউডের অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডের ভাই চিকি পাণ্ডে মুম্বাই সেশন কোর্টের বিচারক ডি ডব্লিউ দেশপাণ্ডের কাছে দাবি করেছিলেন, দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর সালমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি (সালমান) মদ খেয়েছিলেন বলে মনে হয়নি। এ প্রসঙ্গে চিকি পাণ্ডের ভাষ্য ছিল, ‘পরদিন সকাল নয়টায় আমি সালমানের বাসায় গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করি। আমি তাঁকে আলিঙ্গনও করি। কিন্তু মদের গন্ধ পাইনি।’

চিকি পাণ্ডে আরও জানান, দুবাই থেকে আমদানি করা একটি গাড়ি কেনার জন্য তিনি সালমানকে সাহায্য করেন। ওই গাড়িতে চাপা পড়েই হতাহতের ঘটনা ঘটে। গাড়ির মালিক ছিলেন আবদুল রেহমান। তাঁকে ১২ লাখ ও দুই লাখ রুপির দুটি চেক দিয়ে গাড়িটি নেন সালমান। দুর্ঘটনার সময় গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় তখনো গাড়ির মালিক হিসেবে আবদুল রেহমানের নামই ছিল।
গাড়িচাপা দিয়ে মানুষ হত্যার মামলায় সালমানের বিচারকার্যক্রম শুরু হয় ২০০৫ সালে। বেপরোয়া ও অসতর্কভাবে গাড়ি চালানোর কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে রায় দেওয়া হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪(১) ধারায় এ ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা মাত্র দুই বছরের কারাদণ্ড।
পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালে সালমানকে কঠোর সাজা দেওয়ার দাবি তোলা হয় মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে। পরে মামলার বিচারকার্যক্রম আবার শুরু হয়। যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়ার পর গত বছরের জানুয়ারি মাসে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪(২) ধারায় সালমানের সাজা হওয়ার আশঙ্কার কথা জানানো হয় আদালতের পক্ষ থেকে। গুরুতর এ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড। বিষয়টি জানার পরপরই আপিল করেন সালমান। কিন্তু তাঁর আপিল খারিজ করে দিয়ে মুম্বাই সেশন কোর্টের বিচারক ইউবি হেজিব সাফ জানিয়ে দেন, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪(২) ধারাতেই সালমানের বিচারকার্যক্রম চলবে।

সানির পেছনে ক্যাটরিনা-দীপিকা

সানির পেছনে ক্যাটরিনা-দীপিকা


বুম তারকা ক্যাটরিনা কাইফ ও গোলিও কি রাসলীলা: রাম-লীলা তারকা দীপিকা পাড়ুকোনের মতো আবেদনময়ী অভিনেত্রীদের পেছনে ফেললেন জিসম ২ তারকা সানি লিওন। সম্প্রতি মাইক্রোসফটের বিং ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন পরিচালিত এক জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, এ বছর বলিউডের তারকাদের মধ্যে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে সানি লিওনকে। এই দৌড়ে তিনি সালমান খান ও হৃতিক রোশনের মতো প্রভাবশালী অভিনেতাদেরও পেছনে ফেলেছেন।
বলিউডের প্রথম সারির তারকাদের পেছনে ফেলে তালিকায় প্রথম স্থান দখল করেছেন সানি লিওন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন যথাক্রমে ক্যাটরিনা ও দীপিকা। সম্প্রতি এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়ান ইন্ডিয়া।
তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন বলিউডের অভিনেত্রী, গায়িকা ও সাবেক বিশ্ব সুন্দরী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সেরা পাঁচের শেষ জায়গাটি পেয়েছেন দাবাং তারকা সালমান খান।

তালিকায় সেরা দশে ঠাঁই পাওয়া অন্য তারকাদের মধ্যে রয়েছেন যথাক্রমে কারিনা কাপুর খান, প্রীতি জিনতা, আলিয়া ভাট, হৃতিক রোশন ও পরিনীতি চোপড়া।
আরও পড়ুন
নিঃসঙ্গ সানি লিওন!

ভোল পালটাচ্ছেন সানি লিওন!

ফিরিয়ে নেওয়া হলো মেসির সেই হলুদ কার্ড

ফিরিয়ে নেওয়া হলো মেসির সেই হলুদ কার্ড


শুধু ভালো ফুটবলারই নন, তাঁর ডিসিপ্লিনারি রেকর্ডও ভীষণ ভালো। গত মৌসুমে সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে যেমন হলুদ কার্ড দেখেছিলেন মাত্র দুটি। মেসির কার্ড দেখাটা তাই তাঁর ভক্তদের কাছে এক রকম অচেনা দৃশ্য। ভ্যালেন্সিয়া ম্যাচে মেসির হলুদ কার্ডটি তো আরও বড় বিস্ময় হয়ে এল। কারণ সেই ম্যাচে গ্যালারি থেকে ছুড়ে মারা প্লাস্টিকের বোতল মেসির মাথায় এসে আঘাত করেছিল। উল্টো সেই মেসিই খেলেন হলুদ কার্ড। আহতও হলেন, হলুদ কার্ডও দেখলেন—এ তো বড় অন্যায়!
ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে মেসির ক্রস থেকে গোলটা করেছিলেন সার্জিও বুসকেটস। এ কারণে মেসির ওপর ভ্যালেন্সিয়া-সমর্থকদের ক্ষোভ থাকতেই পারে। হয়তো এ কারণেই লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলেন মেসি। ঝাল মেটাতেই তাঁর দিকে ছুড়ে মারা হয়েছিল বোতল। ব্যথায় মাথায় হাত বোলাচ্ছিলেন মেসি। কিন্তু রেফারি বিষয়টি অতটা লক্ষ করেননি। তিনি ভেবেছেন, ইচ্ছা করে সময় নষ্ট করছেন বার্সা তারকা। এ কারণে দেখিয়ে দিয়েছিলেন হলুদ কার্ড।
এমনিতে একটা হলুদ কার্ড খুব বেশি কোনো ক্ষতির কারণ নয়। লিগের নিয়ম অনুযায়ী কোনো খেলোয়াড় পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখলেই তবে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হন। কিন্তু একে তো অন্যায্য হলুদ কার্ড, তার ওপর খেলোয়াড়টা মেসি। তাই কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি বার্সেলোনা। এই হলুদ কার্ডের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয় ক্লাবের পক্ষ থেকে। প্রথম দফায় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলেও দ্বিতীয় দফায় বার্সার যুক্তি মেনেও নিয়েছেন লা লিগার ডিসিপ্লিনারি কমিটি। ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে মেসির সেই হলুদ কার্ডটি।
এটি অবশ্য নিশ্চিত নয়, ওই বোতলটিই মেসিকে আঘাত করেছিল কি না। বোতলটি দৃশ্যমান হলেও অনুমান করা হচ্ছে, হয়তো দর্শকের ছুড়ে মারা কয়েনও মেসিকে আঘাত করে থাকতে পারে। ম্যাচ শেষে চিকিৎসকের শুশ্রূষাও নিতে হয়েছে মেসিকে। তবে আঘাতটি তেমন গুরুতর কিছু নয়।

অ্যাবট ফিরবেন তো?

অ্যাবট ফিরবেন তো?
শেফিল্ড শিল্ডে নিউ সাউথ ওয়েলসের পরবর্তী ম্যাচ কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে। আগামী মঙ্গলবার। ম্যাচটি আবার সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে, যেখানে ঘটেছিল সেই দুর্ঘটনা। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত অ্যাবট এই ম্যাচে খেলবেন কি না, এ নিয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি। তাঁর খেলা প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাহী অ্যান্ড্রু জোনস জানালেন, পুরো সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে অ্যাবটের ওপরই। জোনস বললেন, ‘সে যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, সবাই তা-ই। সে কি চাচ্ছে, বিষয়টি তার ওপরই নির্ভর করছে। ফলে সিদ্ধান্তটা তাকেই নিতে দিন।’
ডেইলি মেইল অবশ্য নিশ্চিত করে বলছে, এই ম্যাচে অ্যাবটের ফেরার সম্ভাবনা নেই। তবে শুধু অ্যাবটের শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রত্যাশা, তাঁর না–থাকাটা যেন শুধু এই ম্যাচের জন্যই হয়। যেন তিনি এর পরের ম্যাচটাতেই আবার মাঠে ফেরেন। যদিও অনেকেই সন্দিহান, আদৌ তিনি আগের মতো মাঠে ফিরতে পারবেন কি না। মানসিক চিকিৎসকদের অভিমত, আসলে এত দ্রুত সবকিছু ভোলা সম্ভব নয়। অনুশীলন, প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ফিরতে সতীর্থদের সহায়তা এখানে ভীষণ প্রয়োজন। দুঃসহ স্মৃতি ভোলার সবচেয়ে ভালো উপায়, খেলা থেকে দূরে না থাকা। খেলার ব্যস্ততাই পারে শোকের সবচেয়ে ভালো দাওয়াই হতে।
অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অব ট্রমা ট্রিটমেন্টের পরিচালক মাইকেল বার্জ বললেন, ‘আসলে আমি বলব না খেলা থেকে খেলোয়াড়েরা দূরে থাক। এটি কিছুটা ধাক্কা দিয়েছে, তাদের উচিত বিষয়টি এভাবে নেওয়া। খেলা থেকে দূরে থাকা যাবে না, যেটা তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে আছে।